মুজাহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা উপজেলার সরুলিয়া ইউনিয়নে সরকারি জমি দখলকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুদ রানা প্রায় ৩ লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার বড়বিলা গ্রামের আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তি কে গরু হাটের সরকারি জমি দখলে সহযোগিতা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই মাষ্টার ৫ আগষ্ট পরবর্তী পালিয়ে গেলে সরুলিয়া ইউনিয়নের একটি সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি পক্ষ দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেই জমি দখলের প্রক্রিয়াকে সহজ করতে প্রভাব খাটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, স্থানীয় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গোপনে দখল কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় তিন লক্ষ টাকা চাঁদা নেওয়ার বিনিময়ে দখলদারদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষার পরিবর্তে উল্টো দখলদারদের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর মতে, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত না হলে সরকারি জমি দখলের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তারা বলেন, “সরকারি জমি সাধারণ মানুষের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এটি দখল করে, তাহলে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।” প্রতিবাদ করায় স্থানীয় পাইলাট কে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ মাসুদ রানা।
এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাসুদ রানার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।